এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬

কমিক জগতের অন্যতম বহুল জনপ্রিয় চরিত্র ডেডপুলের রূপালি পর্দার অবস্থান কিন্তু বেশ নাজুকই ছিল। অচেনা এক সুপারভিলেইন হিসেবে ডেডপুলের প্রথম আবির্ভাব ঘটে 'এক্স মেন অরিজিন্স: উলভারিন' সিনেমায়। সেই ডেডপুল আর এই ডেডপুলে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। যদিও সিনেমায় একবার সূক্ষ্ণভাবে পুরোনো ডেডপুলের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে আর বার বার উলভারিনের কথা নানাভাবে টেনে এনেও যেন সেই স্মৃতিকে উস্কে দেয়ার হালকা চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। হলিউডে সুপারহিরো সিনেমাগুলো নির্মাণে একটি নির্দিষ্ট ফর্মূলা অনুসরণ করা হয়। ঘোরতর সংকটে এক অতিমানবের আবির্ভাব, সমান্তরালে সুপারহিরো হবার পথে তার ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অশুভ শক্তির মুখোমুখি হওয়া এবং অবশেষে পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবার পর সেই সুপারহিরোর কাছে খলনায়কের পতন। ‘ডেডপুল' নির্মাতা টিম মিলার এই ফর্মুলা একেবারেই অনুসরণ করেননি। সর্বপ্রথম 'আর' রেটেড সুপারহিরো সিনেমা এটি। অর্থাৎ ১৭ বছরের কম বয়সী দর্শকরা তখনই সিনেমাটি দেখতে পারবেন যখন প্রাপ্তবয়স্ক কেউ তার সঙ্গে থাকবেন। আর প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে তার যথার্থতা বোঝা গেল। সুপারহিরো সিনেমায় বাস্তব জীবনের মতো মারামারির পর রক্তপাত ঘটে না বলে যেসব ভক্তরা হতাশা জানিয়ে এসেছেন এতকাল, তাদের জন্যই এসে গেছে ডেডপুল, রক্তপাত যার কাছে খেলার মতো। অনেকটা কুয়েন্টিন টারান্টিনোর সিনেমার আদলেই অনর্গল ব্যঙ্গাত্মক সংলাপের সঙ্গে চলতে থাকে দ্রুত গতির অ্যাকশন। রক্তপাতের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় ইঙ্গিতপূর্ণ সব কৌতুক - যেগুলো মাঝে মাঝে কিছুটা অশালীনই মনে হয়েছে। উদ্বোধনী সিকোয়েন্স থেকে শুরু করে পোস্ট ক্রেডিট - পুরোটা সময় জুড়ে দর্শকরা ডেডপুল বা ওয়েড উইলসনের সঙ্গে যাতে সেঁটে থাকেন সে কথা মাথায় রেখেই সাজানো হয়েছে সিনেমাটি। বুলেট টাইম শট দিয়ে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোকে সর্বোচ্চ উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডেডপুল নিজেই ধারাভাষ্য দিতে থাকেন তার নিজস্ব উপহাসমূলক ভঙ্গিতে। ক্রমাগত ফোর্থ ওয়ালকে আঘাত করা ডেডপুল বিদ্রুপের হাসি হাসেন মার্ভেল এবং ডিসি কমিক্সের সুপারহিরোদের প্রতি। বিশেষ করে ডেডপুল চরিত্রে অভিনয় করা রায়ান রেইনল্ডস নিজের ক্ষোভটাই ঝেড়েছেন 'গ্রিন ল্যানটার্ন'-এর পরিচালকের উপর। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া 'গ্রিন ল্যানটার্ন' সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কেন্দ্রীয় সুপারহিরোর চরিত্রে। আর সে সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়েছিল একেবারেই। রায়ান রেইনল্ডসের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। নিজেই ডেডপুল চরিত্রটির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ২০০৫ সাল থেকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাড়া দিচ্ছিলেন একটি সিনেমা নির্মাণের জন্য। প্রায় ১১ বছর পর তার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। নিজের পছন্দের অল্টার ইগোকে পর্দায় নিয়ে আসতে নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছেন। নিজের সংলাপ লিখতে সাহায্য করেছেন, নিজের বাকপটুতাকেও কাজে লাগিয়েছেন সিনেমার বিভিন্ন জায়গায়। এক কথায়, কমিক জগতের ডেডপুলকে রূপালি পর্দায় রূপায়নে রায়ান রেইনল্ডস ছাড়া অন্য কাউকে যেন ভাবাই যায় না।


কমিক জগতের অন্যতম বহুল জনপ্রিয় চরিত্র ডেডপুলের রূপালি পর্দার অবস্থান কিন্তু বেশ নাজুকই ছিল। অচেনা এক সুপারভিলেইন হিসেবে ডেডপুলের প্রথম আবির্ভাব ঘটে 'এক্স মেন অরিজিন্স: উলভারিন' সিনেমায়। সেই ডেডপুল আর এই ডেডপুলে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। যদিও সিনেমায় একবার সূক্ষ্ণভাবে পুরোনো ডেডপুলের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে আর বার বার উলভারিনের কথা নানাভাবে টেনে এনেও যেন সেই স্মৃতিকে উস্কে দেয়ার হালকা চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। হলিউডে সুপারহিরো সিনেমাগুলো নির্মাণে একটি নির্দিষ্ট ফর্মূলা অনুসরণ করা হয়। ঘোরতর সংকটে এক অতিমানবের আবির্ভাব, সমান্তরালে সুপারহিরো হবার পথে তার ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অশুভ শক্তির মুখোমুখি হওয়া এবং অবশেষে পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবার পর সেই সুপারহিরোর কাছে খলনায়কের পতন। ‘ডেডপুল' নির্মাতা টিম মিলার এই ফর্মুলা একেবারেই অনুসরণ করেননি। সর্বপ্রথম 'আর' রেটেড সুপারহিরো সিনেমা এটি। অর্থাৎ ১৭ বছরের কম বয়সী দর্শকরা তখনই সিনেমাটি দেখতে পারবেন যখন প্রাপ্তবয়স্ক কেউ তার সঙ্গে থাকবেন। আর প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে তার যথার্থতা বোঝা গেল। সুপারহিরো সিনেমায় বাস্তব জীবনের মতো মারামারির পর রক্তপাত ঘটে না বলে যেসব ভক্তরা হতাশা জানিয়ে এসেছেন এতকাল, তাদের জন্যই এসে গেছে ডেডপুল, রক্তপাত যার কাছে খেলার মতো। অনেকটা কুয়েন্টিন টারান্টিনোর সিনেমার আদলেই অনর্গল ব্যঙ্গাত্মক সংলাপের সঙ্গে চলতে থাকে দ্রুত গতির অ্যাকশন। রক্তপাতের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় ইঙ্গিতপূর্ণ সব কৌতুক - যেগুলো মাঝে মাঝে কিছুটা অশালীনই মনে হয়েছে। উদ্বোধনী সিকোয়েন্স থেকে শুরু করে পোস্ট ক্রেডিট - পুরোটা সময় জুড়ে দর্শকরা ডেডপুল বা ওয়েড উইলসনের সঙ্গে যাতে সেঁটে থাকেন সে কথা মাথায় রেখেই সাজানো হয়েছে সিনেমাটি। বুলেট টাইম শট দিয়ে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোকে সর্বোচ্চ উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডেডপুল নিজেই ধারাভাষ্য দিতে থাকেন তার নিজস্ব উপহাসমূলক ভঙ্গিতে। ক্রমাগত ফোর্থ ওয়ালকে আঘাত করা ডেডপুল বিদ্রুপের হাসি হাসেন মার্ভেল এবং ডিসি কমিক্সের সুপারহিরোদের প্রতি। বিশেষ করে ডেডপুল চরিত্রে অভিনয় করা রায়ান রেইনল্ডস নিজের ক্ষোভটাই ঝেড়েছেন 'গ্রিন ল্যানটার্ন'-এর পরিচালকের উপর। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া 'গ্রিন ল্যানটার্ন' সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কেন্দ্রীয় সুপারহিরোর চরিত্রে। আর সে সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়েছিল একেবারেই। রায়ান রেইনল্ডসের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। নিজেই ডেডপুল চরিত্রটির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ২০০৫ সাল থেকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাড়া দিচ্ছিলেন একটি সিনেমা নির্মাণের জন্য। প্রায় ১১ বছর পর তার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। নিজের পছন্দের অল্টার ইগোকে পর্দায় নিয়ে আসতে নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছেন। নিজের সংলাপ লিখতে সাহায্য করেছেন, নিজের বাকপটুতাকেও কাজে লাগিয়েছেন সিনেমার বিভিন্ন জায়গায়। এক কথায়, কমিক জগতের ডেডপুলকে রূপালি পর্দায় রূপায়নে রায়ান রেইনল্ডস ছাড়া অন্য কাউকে যেন ভাবাই যায় না।


কমিক জগতের অন্যতম বহুল জনপ্রিয় চরিত্র ডেডপুলের রূপালি পর্দার অবস্থান কিন্তু বেশ নাজুকই ছিল। অচেনা এক সুপারভিলেইন হিসেবে ডেডপুলের প্রথম আবির্ভাব ঘটে 'এক্স মেন অরিজিন্স: উলভারিন' সিনেমায়। সেই ডেডপুল আর এই ডেডপুলে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। যদিও সিনেমায় একবার সূক্ষ্ণভাবে পুরোনো ডেডপুলের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে আর বার বার উলভারিনের কথা নানাভাবে টেনে এনেও যেন সেই স্মৃতিকে উস্কে দেয়ার হালকা চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। হলিউডে সুপারহিরো সিনেমাগুলো নির্মাণে একটি নির্দিষ্ট ফর্মূলা অনুসরণ করা হয়। ঘোরতর সংকটে এক অতিমানবের আবির্ভাব, সমান্তরালে সুপারহিরো হবার পথে তার ব্যক্তিগত সংগ্রাম, অশুভ শক্তির মুখোমুখি হওয়া এবং অবশেষে পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ কিছু শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবার পর সেই সুপারহিরোর কাছে খলনায়কের পতন। ‘ডেডপুল' নির্মাতা টিম মিলার এই ফর্মুলা একেবারেই অনুসরণ করেননি। সর্বপ্রথম 'আর' রেটেড সুপারহিরো সিনেমা এটি। অর্থাৎ ১৭ বছরের কম বয়সী দর্শকরা তখনই সিনেমাটি দেখতে পারবেন যখন প্রাপ্তবয়স্ক কেউ তার সঙ্গে থাকবেন। আর প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে তার যথার্থতা বোঝা গেল। সুপারহিরো সিনেমায় বাস্তব জীবনের মতো মারামারির পর রক্তপাত ঘটে না বলে যেসব ভক্তরা হতাশা জানিয়ে এসেছেন এতকাল, তাদের জন্যই এসে গেছে ডেডপুল, রক্তপাত যার কাছে খেলার মতো। অনেকটা কুয়েন্টিন টারান্টিনোর সিনেমার আদলেই অনর্গল ব্যঙ্গাত্মক সংলাপের সঙ্গে চলতে থাকে দ্রুত গতির অ্যাকশন। রক্তপাতের পাশাপাশি পরিবেশন করা হয় ইঙ্গিতপূর্ণ সব কৌতুক - যেগুলো মাঝে মাঝে কিছুটা অশালীনই মনে হয়েছে। উদ্বোধনী সিকোয়েন্স থেকে শুরু করে পোস্ট ক্রেডিট - পুরোটা সময় জুড়ে দর্শকরা ডেডপুল বা ওয়েড উইলসনের সঙ্গে যাতে সেঁটে থাকেন সে কথা মাথায় রেখেই সাজানো হয়েছে সিনেমাটি। বুলেট টাইম শট দিয়ে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোকে সর্বোচ্চ উপভোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডেডপুল নিজেই ধারাভাষ্য দিতে থাকেন তার নিজস্ব উপহাসমূলক ভঙ্গিতে। ক্রমাগত ফোর্থ ওয়ালকে আঘাত করা ডেডপুল বিদ্রুপের হাসি হাসেন মার্ভেল এবং ডিসি কমিক্সের সুপারহিরোদের প্রতি। বিশেষ করে ডেডপুল চরিত্রে অভিনয় করা রায়ান রেইনল্ডস নিজের ক্ষোভটাই ঝেড়েছেন 'গ্রিন ল্যানটার্ন'-এর পরিচালকের উপর। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া 'গ্রিন ল্যানটার্ন' সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কেন্দ্রীয় সুপারহিরোর চরিত্রে। আর সে সিনেমা মুখ থুবড়ে পড়েছিল একেবারেই। রায়ান রেইনল্ডসের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। নিজেই ডেডপুল চরিত্রটির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ২০০৫ সাল থেকে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাড়া দিচ্ছিলেন একটি সিনেমা নির্মাণের জন্য। প্রায় ১১ বছর পর তার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। নিজের পছন্দের অল্টার ইগোকে পর্দায় নিয়ে আসতে নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছেন। নিজের সংলাপ লিখতে সাহায্য করেছেন, নিজের বাকপটুতাকেও কাজে লাগিয়েছেন সিনেমার বিভিন্ন জায়গায়। এক কথায়, কমিক জগতের ডেডপুলকে রূপালি পর্দায় রূপায়নে রায়ান রেইনল্ডস ছাড়া অন্য কাউকে যেন ভাবাই যায় না।


মঙ্গলবার, ৮ মার্চ, ২০১৬

পৃথিবীতে এলিয়েন এসেছিল ?

এলিয়েন এর অস্তিত্ব নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক। দুনিয়া জুড়ে অজস্র মানুষ এলিয়েনে বিশ্বাসী আবার অবিশ্বাসীর সংখ্যাও কম নয় বরং

কেমন সেক্স করবেন !!সেক্স এডুকেশন

কেমন সেক্স করবেন !!সেক্স এডুকেশনঃ

নিষিদ্ধ কিছু নয় এইড্‌স প্রতিরোধে বিয়ে ছেলেদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলির পরিচয় মেয়ের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলির পরিচয় হস্ত মিথুনের ভয়াবহতা। বাংলা সেক্স স্তন সম্পর্কিত কিছু অজানা তথ্য কিভাবে নারীর স্তনে চুম্বন করবেন ?

মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান সম্বন্ধে তথ্যাবলি

মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান
যেহেতু বিশ্বাস করা হয় মহাবিশ্বের কোন কেন্দ্র অথবা প্রান্ত নেই, সেহেতু মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান সামগ্রিকভাবে চিহ্নিত করার জন্যেও নির্দিষ্ট কোন মুলবিন্দু নেই। বিভিন্ন স্কেলে নির্দিষ্ট কিছু

বিজ্ঞানের যাদু-১

আপনাকে একটি বরফ এবং একটি সুতা দেয়া হল। বরফটিকে সুতাটি দিয়ে ঝুলাতে হবে। কিন্তু সুতা দিয়ে বরফটিকে বাঁধতে পারবেন না। কি, ঝুলাতে পারবেন? অবাক হচ্ছেন নাকি এটা ভেবে যে এটা কি করে সম্ভব? হ্যাঁ, এটা আসলেই সম্ভব। তাহলে বলি কিভাবে